1. admin@amarsongbad24.com : admin :
  2. zihadononto15@gmail.com : Zihad Hokkani : Zihad Hokkani
২৫জন ছাত্রের জীবিত অভিভাবককে মৃত দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ - AMAR SONGBAD 24
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদ মিয়া অপর বিদ্যালয়ে সভাপতি, নানা অনিয়মের অভিযোগ! গাইবান্ধায় প্রকৌশলী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বিশুদ্ধ ঠান্ডা খাবার স্যালাইন পানি বিতরণ জুয়া বসানোর অভিযোগে সাদুল্লাপুরে ইউপি মেম্বার আল-আমিনের বিরুদ্ধে মামলা! (ভিডিও ভাইরাল) সুন্দরগঞ্জের চরাঞ্চলে কর্মোক্ষম মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী  বিতরণ ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ সাংবাদিককে লাঞ্চিত করলেন মেয়র সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে আলোচনা দোয়া ও ইফতার  সুন্দরগঞ্জে বারো জুয়াড়িসহ গ্রেফতার-১৩ সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে সংঘর্ষে নিহত এক, গ্রেফতার দুই সুন্দরগঞ্জে স্কুল মাঠে ঝড়ে ভেঙে পড়া গাছ খেলাধুলা বন্ধ সুন্দরগঞ্জে রাস্তায় বাঁশের বেড়া ২৩ দিন ধরে অবরুদ্ধ ৪ পরিবার

২৫জন ছাত্রের জীবিত অভিভাবককে মৃত দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ

পাঁচবিবি থেকে সাখাওয়াত হোসেনঃ
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১ মে, ২০২৩
  • ৮৮
জীবিত অভিভাবককে মৃত দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ
জীবিত অভিভাবককে মৃত দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের রহমতপুর(রামভদ্রপুর) দারুস সুন্নাহ এবতেদায়ী কওমী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার ২৫জন ছাত্রের জীবিত অভিভাবককে মৃত দেখিয়ে ভূয়া মৃত্যু সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ে দাখিল করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার মুহাতিম ও পরিচালক মওলানা আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে। তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ে আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রাপ্ত নথিতে দেখা যায়, তিনি ঐ মাদ্রাসার ২৫জন ছাত্রের জীবিত পিতাকে মৃত দেখিয়ে কম্পিউটারে স্ক্যানের মাধ্যমে তাদের নামে ভূয়া মৃত্য সনদ তৈরী করেন।

 

 

উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ে ঐ ২৫জন ছাত্রসহ মোট ৪৫জন এতিম ছাত্রের তালিকাটি ভাতা প্রাপ্তির জন্য ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইউনুছ আলী মন্ডল এবং মুহাতিম আব্দুল খালেক যৌথ স্বাক্ষর করে জমা দিলে সরকারী ভাতা প্রাপ্ত হয়। যেখানে প্রতিজন এতিম ছাত্র মাসে ২ হাজার টাকা করে পেয়ে থাকেন। রামভদ্রপুর গ্রামের দুলাল হোসেনের স্ত্রী বিলকিছ বেগম বলেন, আমার ছেলে কোরাইশিন অত্র মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র। সে প্রায় বাড়িতে এসে বলে, মাদ্রাসার হুজুরেরা আমাকে এতিম বলে থাকে। আমার কি বাবা নেই? তোমার বাবা হাকিমপুর ডিগ্রী কলেজের কর্মচারী। একই শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহমিদ সোয়াইব সিয়ামের বাবা ভূইডোবা গ্রামের সোহেল রানা বলেন ২০১৮ সালে মাদ্রাসার মুহতামিম তাকে মৃত দেখিয়ে তার ছেলেকে এতিম বানিয়ে সরকারি টাকা উত্তোলন করে থাকে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। রামভদ্রপুর গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে আব্দুল্লাহ আল রাফি। সে ৩য় শ্রেণির শিক্ষাথী।

 

ভুয়া সনদ

ভুয়া সনদ

তার বাবা বলেন আমরা দ্বীনি শিক্ষার জন্য অত্র মাদ্রাসায় দিয়েছি। প্রতি মাসের ছেলের পড়াশুনা বাবদে ৩’শ টাকা করে মুহতামিমকে দিয়ে থাকি। যখন জানতে পারলাম ২০১৪ আমি মারা গেছি, তখন এই হুজুরের প্রতি আমার ঘৃণা জন্মেছে। এতিমখানার সভাপতি ইউনুছ আলী জানান উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে জমাদানকৃত তালিকায় দেখানো স্বাক্ষরটি আমার না। ছাত্রদের অভিভাবকের মৃত্যু সনদ সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। মুহাতিম আব্দুল খালেক সাংবাদিকদের জানান, এসবঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তবে তিনি সাংবাদিকদের ডেকে নিয়ে গোপনে আপোষরফার প্রস্তাবে তিনি অকোপটে জালসনদ তৈরী করার কথা স্বীকার করেন এবং এতিম বাচ্ছাদের মুখের দিকে তাকিয়ে একাজটি করেছেন। এবিষয়ে সংবাদ না করার জন্য অনুরোধ জানান। উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোছাঃ শাহিনুর আফরোজ জানান, এঘটনা জানার পর জানার পর মাদ্রাসার দুইজন ছাত্রের শিকারোক্তিতে সত্যতা পাওয়া যায়। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।

 

আরো তদন্ত করার জন্য স্থানীয় বাগজানা ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাগজানা ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হোসেন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সীল ও স্বাক্ষর জাতিয়াতি করেছেন মুহতামিম। তিনি জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে মৃত্যু সনদে একই নম্বর ব্যবহার করে সমাজসেবা থেকে অর্থ গ্রহণ করছেন। আমি এলাকার ইউপি সদস্য ও গ্রামপুলিশকে তদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। প্রতিবেদন পেলে সমাজসেবা অফিসে পাঠিয়ে দিব। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরমান হোসেন বলেন বিষয়টি অবগত হয়ে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বলা হয়েছে।

 

আমার সংবাদ২৪.কমএবতেদায়ী কওমী হাফেজিয়া মাদ্রাসা // ভুয়া সনদ

More News Of This Category
All Rights Reserved © 2023 Amar Songbad
Developed By :: Sky Host BD