1. admin@amarsongbad24.com : admin :
  2. zihadononto15@gmail.com : Zihad Hokkani : Zihad Hokkani
মাছ ধরার উপকরণ বিক্রির ধূম পড়েছে - AMAR SONGBAD 24
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদ মিয়া অপর বিদ্যালয়ে সভাপতি, নানা অনিয়মের অভিযোগ! গাইবান্ধায় প্রকৌশলী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বিশুদ্ধ ঠান্ডা খাবার স্যালাইন পানি বিতরণ জুয়া বসানোর অভিযোগে সাদুল্লাপুরে ইউপি মেম্বার আল-আমিনের বিরুদ্ধে মামলা! (ভিডিও ভাইরাল) সুন্দরগঞ্জের চরাঞ্চলে কর্মোক্ষম মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী  বিতরণ ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ সাংবাদিককে লাঞ্চিত করলেন মেয়র সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে আলোচনা দোয়া ও ইফতার  সুন্দরগঞ্জে বারো জুয়াড়িসহ গ্রেফতার-১৩ সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে সংঘর্ষে নিহত এক, গ্রেফতার দুই সুন্দরগঞ্জে স্কুল মাঠে ঝড়ে ভেঙে পড়া গাছ খেলাধুলা বন্ধ সুন্দরগঞ্জে রাস্তায় বাঁশের বেড়া ২৩ দিন ধরে অবরুদ্ধ ৪ পরিবার

মাছ ধরার উপকরণ বিক্রির ধূম পড়েছে

আমার সংবাদ২৪.কম
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৮ জুলাই, ২০২৩
  • ৯৪

 

বর্ষা মৌসুম শুরুর সাথে সাথে জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে ছোট-বড় মাছ ধরার উপকরণ বিক্রির ধূম পড়েছে।

উপকরণগুলোর মধ্যে রয়েছে, টেঁপি,দাঁড়কি,পলো,খলাই, হেংগাজালি ইত্যাদি। বাঁশ বেতের কুটির শিল্প কারিগররা এসব উপকরণ তৈরী করে বাজারে বিক্রি করে অর্থিকভাবে তারা লাভবান হচ্ছেন।

বর্ষাকালে বিভিন্ন জলাশয়ে ছোট মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত হয় এসব। মৌসুমি বায়ুর প্রভাব ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা,ঘাঘট,করতোয়াসহ অভ্যন্তরিণ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার খাল-বিলও চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে নতুন পানিতে টইটম্বুর হচ্ছে। নতুন এই পানিতে ছুটে আসছে নানা প্রজাতির মাছ। পানি বৃদ্ধির এই মৌসুমে পাল্লা দিয়ে বিক্রির ধূপ পড়েছে মাছ ধরার উপকরণগুলোর।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার তুলসিঘাট, দাঁড়িয়াপুর, লক্ষীপুর, সাদুল্লাপুর, ধাপেরহাট, শোভাগঞ্জ, মীরগঞ্জহাট, ফকিরহাট, মহিমাগঞ্জ, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী,সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়িহাট, ভরতখালীসহ গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন হাট-বাজারগুলোতে বিক্রি শুরু হয়েছে মাছ ধরার দেশিও বিভিন্ন সরঞ্জাম। এসব হাটে পাইকারি ও খুচরা ক্রয়-বিক্রয়করা হয় মাছ ধরার ফাঁদগুলো।

সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের মিরপুর এলাকার মাছ শিকারি রাফি, কুদ্দুস আলী, রেজওয়ান ও শামছুল জানান, বৃষ্টিতে এলাকার বিভিন্ন স্থানের ডোবা ও খাল-বিলে পানিতে ভরে গেছে। এই সময় তেমন কোনও কাজ থাকে না। জীবন-জীবিকার জন্য কাজ-কর্ম না থাকায় এসময় বেছে নেওয়া হয় অন্য পেশা। মাছ ধরার এক প্রকার যন্ত্র, টেঁপি, দাঁড়কি, পলো, খলাই চাহিদা বেড়েছে। স্থানীয় হাট থেকে এসব যন্ত্রগুলো ক্রয় করে মাছ ধরার কাজে ব্যবহার শুরু হয়েছে।

তুলসিঘাট এলাকার মজনু মিয়া (৩৫) জানান, বাঁশ কাটা, শলা তৈরি। পরে সেগুলো শুকিয়ে নেওয়া হয় হালকা রোদ। পচানো তালের ডাওরের আঁশ দিয়ে খিল রান দেওয়া হয়। এসব কাজে গৃহবধূ থেকে শুরু করে পরিবারের অন্যন্য সদস্যরাও সহায়তা করে থাকে। এই টেঁপি,দাঁড়কি বোনার কাজে সকাল-সন্ধ্যা ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। এ টেঁপি, দাঁড়কি দিয়ে চিংড়ি, পুঁটি, খৈলশা, গুচি, ট্যাংরা মাছ শিকার করা হয়। এতে খাবারের জন্য বাজার থেকে মাছ কিনতে হয় না অনেকেরই।

সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের মধ্যমকুমদপুর এলাকার রিফাতুন্নবী রিফাত (৬২) জানান, একটি বাঁশের দাম ২৫০-৩০০টাকা। একটি বাঁশ থেকে কমপক্ষে ৬-৭ ফালটা হয়। একটি করে তৈরি করতে ২-৩ দিনের মতো সময় লাগে। বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় শ্রমিক দিয়ে কাজ করাতে হচ্ছে। প্রতিটি দাঁড়কি ৩০০-৩৫০, টেঁপি ৪০০-৪৫০, পলো ১০০০-১২০০ খলাই ৪৫০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

More News Of This Category
All Rights Reserved © 2023 Amar Songbad
Developed By :: Sky Host BD