1. admin@amarsongbad24.com : admin :
  2. zihadononto15@gmail.com : Zihad Hokkani : Zihad Hokkani
গাইবান্ধার শুকনা মরিচ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে - AMAR SONGBAD 24
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদ মিয়া অপর বিদ্যালয়ে সভাপতি, নানা অনিয়মের অভিযোগ! গাইবান্ধায় প্রকৌশলী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বিশুদ্ধ ঠান্ডা খাবার স্যালাইন পানি বিতরণ জুয়া বসানোর অভিযোগে সাদুল্লাপুরে ইউপি মেম্বার আল-আমিনের বিরুদ্ধে মামলা! (ভিডিও ভাইরাল) সুন্দরগঞ্জের চরাঞ্চলে কর্মোক্ষম মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী  বিতরণ ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ সাংবাদিককে লাঞ্চিত করলেন মেয়র সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে আলোচনা দোয়া ও ইফতার  সুন্দরগঞ্জে বারো জুয়াড়িসহ গ্রেফতার-১৩ সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে সংঘর্ষে নিহত এক, গ্রেফতার দুই সুন্দরগঞ্জে স্কুল মাঠে ঝড়ে ভেঙে পড়া গাছ খেলাধুলা বন্ধ সুন্দরগঞ্জে রাস্তায় বাঁশের বেড়া ২৩ দিন ধরে অবরুদ্ধ ৪ পরিবার

গাইবান্ধার শুকনা মরিচ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে

রিফাতুন্নবী রিফাত,গাইবান্ধাঃ
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২০ মার্চ, ২০২৩
  • ৪০
গাইবান্ধার শুকনা মরিচ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে

কথায় আছে স্বাদে ভরা রসমঞ্জুরীর ঘ্রাণ, চরাঞ্চলের ভুট্টা-মরিচ গাইবান্ধার প্রাণ। কৃষির নির্ভর জেলাগুলোর মধ্যে গাইবান্ধা একটি। এ জেলায় নানা ধরনের ফসলের পাশাপাশি কৃষকরা প্রতি বছর মরিচের আবাদ করে থাকে। এ জেলার ব্রহ্মপুত্র নদী বেষ্টিত ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চলে মরিচ চাষে বিপ্লব ঘটে গেছে।

ফুলছড়িতে মরিচ চাষ বেশি হবার কারণে এটি জেলার একমাত্র মরিচের হাট। এতে করে গজারিয়া ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্র সংলগ্ন হাটে নৌকাযোগে বিভিন্ন চর থেকে আসে প্রচুর মরিচ। ‘ফুলছড়ি মরিচ হাট’ নামে পরিচিত এই হাট এখন শুকনো মরিচের আমদানীতে টক টকে লাল মরিচে দৃষ্টি নন্দন হয়ে উঠেছে।

ফুলছড়ি হাটে গিয়ে জানা যায়, গাইবান্ধা সদরের কামারজানি , টেংরাকান্দি, মোল্লারচর, খোলাবাড়ি সহ ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চল এবং জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জের বকসীগঞ্জ এর কয়েকটি চর থেকে কৃষক ও পাইকাররা মরিচ বিক্রি করতে আসেন গাইবান্ধার জেলার ফুলছড়ি উপজেলার একমাত্র এই মরিচ হাটে। আর বগুড়া জেলা থেকে মরিচ কিনতে আসেন ব্যাপারীরা। এ হাট বসে সপ্তাহে শনি ও মঙ্গলবার দুদিন সকাল সাতটা থেকে বসে হাট। প্রতি হাটে দুই হাজার মনের বেশি শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে বলে জানান হাট ইজারাদার বজলুর রহমান মুক্তা।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে- এবছর গাইবান্ধা জেলার ৭ উপজেলায় ২ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে মোট উৎপাদন হয়েছে ৫ হাজার ৭৫ মেট্রিক টন শুকনা মরিচ। এর মধ্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ৪০ হেক্টর,সাদুল্লাপুরে ১শত ৮০হেক্টর, পলাশবাড়ীতে ৭৫ হেক্টর, গোবিন্দগঞ্জে ১শত ২৫ হেক্টর, সুন্দরগঞ্জে ১ শত৪৮ হেক্টর, ফুলছড়িতে ৯শত ৯২ হেক্টর ও সাঘাটায় ৫শত ৫০ হেক্টর জমি মরিচ চাষ হয়েছে।

কথা হয় ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের গলনাচরের কৃষক আব্দুল মজিদ (৩৬)বলেন, বিঘা প্রতি কাঁচামরিচ উৎপাদনের খরচ পড়েছে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। প্রতি বিঘায় ৫০ মনের বেশি মরিচ উৎপন্ন হয়।

তিনি আরো বলেন, ৫০ মন কাঁচামরিচ পাকার পর তা শুকিয়ে ১০ মন শুকনা মরিচ পাওয়া যায়। মরিচ শুকানো,পরিবহণ এবং বাজারজাত খরচ যুক্ত করে মন প্রতি ব্যয় যা হচ্ছে তাতে খুব সামান্য লাভ টিকছে বলে জানান তিনি। গতবছর শুকনা মরিচ ১০ হাজার থেকে ১১ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছে, সেখানে এবছর একটু দাম চড়া আছে ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ শুকনা মরিচ।

মরিচ বিক্রেতা আব্দুর মনসুর (৫৫) জানান, এই হাটে মরিচ বিক্রি করতে আসেন হাজার খানেক কৃষক ও বগুড়াসহ কয়েক জেলার প্রায় শতাধিক ব্যাপারী।

দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট থেকে মরিচ কিনতে আসা ব্যাপারী ইলুল রহমান (৪৫) বলেন, আমরা প্রতি বছরেই এই হাট থেকে শুকনা মরিচ কিনে নিয়ে গিয়ে স্থানীয় হাট বাজারের বিক্রি করি। অন্যন্য বছরের থেকে এবছর মরিচের মান ভালো। কিন্তু দাম টা চড়া খু্বই।গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. খোরশেদ আলমের সঙ্গে কথা হলে তিনি আমার সংবাদ ২৪.কম কে জানান, এ জেলার সাতটি উপজেলায় যে পরিমাণ মরিচের চাষ হয় তার অর্ধেকই উৎপন্ন হয় ফুলছড়ি উপজেলায়। এখানে দিন দিন মরিচ চাষের পরিমাণ বাড়ছে। কৃষি বিভাগ থেকে পরামর্শসহ সবধরণের সহায়তা দেয়া হয়েছে।

More News Of This Category
All Rights Reserved © 2023 Amar Songbad
Developed By :: Sky Host BD