1. admin@amarsongbad24.com : admin :
  2. zihadononto15@gmail.com : Zihad Hokkani : Zihad Hokkani
গাইবান্ধার মৃৎ শিল্পীরা ভালো নেই! - AMAR SONGBAD 24
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৩:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদ মিয়া অপর বিদ্যালয়ে সভাপতি, নানা অনিয়মের অভিযোগ! গাইবান্ধায় প্রকৌশলী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বিশুদ্ধ ঠান্ডা খাবার স্যালাইন পানি বিতরণ জুয়া বসানোর অভিযোগে সাদুল্লাপুরে ইউপি মেম্বার আল-আমিনের বিরুদ্ধে মামলা! (ভিডিও ভাইরাল) সুন্দরগঞ্জের চরাঞ্চলে কর্মোক্ষম মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী  বিতরণ ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ সাংবাদিককে লাঞ্চিত করলেন মেয়র সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে আলোচনা দোয়া ও ইফতার  সুন্দরগঞ্জে বারো জুয়াড়িসহ গ্রেফতার-১৩ সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে সংঘর্ষে নিহত এক, গ্রেফতার দুই সুন্দরগঞ্জে স্কুল মাঠে ঝড়ে ভেঙে পড়া গাছ খেলাধুলা বন্ধ সুন্দরগঞ্জে রাস্তায় বাঁশের বেড়া ২৩ দিন ধরে অবরুদ্ধ ৪ পরিবার

গাইবান্ধার মৃৎ শিল্পীরা ভালো নেই!

রিফাতুন্নবী রিফাত
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ৪০

ভালো নেই গাইবান্ধার মৃৎ শিল্পের সাথে জড়িত কারিগররা। ভালোবাসা ও মমতা দিয়ে নিপুণ হাতের কারুকাজের মাধ্যমে মাটি দিয়ে শিল্পীরা তৈরি করে থাকেন নানান তৈজসপত্র। তাদের জীবন-জীবিকার হাতিয়ার হচ্ছে মাটি। কিন্তু কালের বিবর্তনে তাদের ভালোবাসার জীবিকা বিলুপ্তি পথে পারি দিচ্ছে। দিন যতই যাচ্ছে ততই বাড়ছে আধুনিকতার ছোঁয়ায়,চাহিদা হারাচ্ছে মাটির তৈরি শিল্পপণ্য।

একসময় মাটির তৈরি তৈজসপত্রের প্রচুর চাহিদা ছিল। কিন্তু এখন মাটির তৈরি তৈজসপত্রের চাহিদা হারিয়ে স্থান দখল করে নিয়েছে প্লাস্টিক ও এ্যালুমিনিয়ামের তৈরি পণ্য।

এসবের দাম বেশি হলেও টেকসই হওয়ায় সবাই ঝুঁকছে সেই দিকেই। আর তাই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পেরে অনেকেই ছেড়ে দিচ্ছে বাপ-দাদার ধরে রাখা এই পেশা।

ছবি: সংগৃহীত


একসময় গাইবান্ধার ৭টি উপজেলায় এ পেশার সাথে থাকা সকলের দিন কাটতো বেশ সুখে। কিন্তুু এখন হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার ছাড়া কারও সেভাবে এ পেশায় ভাত জুটছে না। গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের পালপাড়ায় কয়েকটি পরিবার সরাসরি মৃৎ শিল্পের ওপর নির্ভরশীল।

এই পাড়ায় কুমার-কুমারী দিন-রাত হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে মাটি দিয়ে তৈরি করছেন বিভিন্ন মৃৎ শিল্প পণ্য। তবে সময় অনুযায়ী ন্যার্য মূল্য পাচ্ছেন না বলে জানান তারা।

ছবি: রিফাতুন্নবী রিফাত

সরোজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কুমাররা মাটি দিয়ে তৈরি করছেন,বিভিন্ন রকমের ফুলের টব,পুতুল,ল্যাট্রিনের স্লাব,কুয়ারপাত,হাড়ি,পাতিলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। রামচন্দ্রপুর পালপাড়ার শ্রী কার্তিক পাল (৩০) জানান,তার বাবা-দাদা প্রায় ৪-৫ যুগ ধরে এপেশার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে আর টিকে থাকতে পারছেন না।

এ পেশার সাথে দীর্ঘ দিন জড়িত থাকা শ্রী শঙ্ক পাল (৫০) জানান,১টলি মাটির দাম ১০০০টাকা। যা দিয়ে ১০০ পাঁতিল তৈরি করা যায়। আর ১০০ পাঁতিল পোড়াতে প্রায় ১৩০০ টাকার খড়ি লাগে। তাই বাজার-জাত মূল্যের সাথে টিকে থাকতে না পাড়ায় অনেকেই আর এ পেশায় কাজ করতে আগ্রহ হচ্ছে না।

তার পরেও চলছে মাঘ মাস কয়েকদিন থেকে তীব্র বাতাস, ঘন কুয়াশায় আর কনকনে শীতের মধ্যে তারা কাজ করতে পারছে না এখন। তাই খুবই কষ্টে দিন পার করতে হচ্ছে পাল পাড়ার মৃৎ শিল্পীদের।

More News Of This Category
All Rights Reserved © 2023 Amar Songbad
Developed By :: Sky Host BD